Showing posts with label Supriya Rajkumar. Show all posts
Showing posts with label Supriya Rajkumar. Show all posts

Monday, 6 August 2018

জীবন সমস্যা ময়/সুপ্রিয়া চক্রবর্তী



১২/৭/১৮
*_*_*_*_*_*_*_*_*_*_*_*_*_*_*_*_*
সমস্যা বহুল জীবন প্রতিটি মানুষের
বাধা,বিপদ, ঝড়,ঝঞ্ঝার মধ্যে পথ চলা
তবু বাধাকে অতিক্রম করে, লড়ে যেতে হবে
আলোর পথ দেখা যাবে চেষ্টা করলে তবে।
জীবনে নানা ওঠা পড়া তো আছেই
উঠতে যদি নাই পারি, পড়াকে কেনো লুকানো?
দম বন্ধ করে চেপে রেখে,দেখন হাসি কেনো?
সত্যিটা কে সহজ করে বলতে ভয় এখনও?
মিথ্যার জালে জড়ানো প্রতিটা কোন
মুখোশের মাঝে ঢেকে রাখা সব বিষাক্ত আনন
মুখোশ ছিঁড়ে বেরিয়ে এসো মানব
বেরিয়ে আসুক মুখোশের আড়ালে দানব!
পরাজয়কে জয় করতে হবে
হাসিমুখে তাকে বরণ করবে তবে
সতীত্বকে আড়াল করে রাখি
ভয়ার্ত প্রতি পদে, যদি ধর্ষণে মুখ ঢাকি?
কিছু পুরুষ নারী কে রেখেছে আগলে
কিছু দানব পিষ্ঠ করছে পদতলে
মর্যাদা হীন নারী আজও পৃথিবীতে
মর্যাদা তার দেননি ধরণীতে।

চেতনা জাগ্রত হোক/সুপ্রিয়া চক্রবর্তী



১০/৭/১৮
*_*_*_*_*_*_*_*_*_*_*_*_*_*_*_*_*_*_
মানুষে মানুষে দ্বন্দ্ব আর,হিংসাবৃত্তি চারিদিকে
অচেতন এই মানব সমাজে,শুভ হবে কোথা থেকে
মাটিতেই জন্ম আমার,মাটিতেই যাবো মিশে
কবে আর চেতন হবে,জাতের লড়াই করিস কিসে
চেতনহিন এই সমাজে,বড়লোকে পয়সা ওড়ায়
গরীবরা পায়না খেতে,ডাস্টবিনে খাবার কুড়ায়
মান আর হুঁস নেই যার,সে আবার মানুষ কিসে?
বিবেকটা জাগলে পরে,তবেই তো চেতনা আসে
অহঙ্কার পতনের মূল,জেনেশুনে করছে যে ভুল
বিবেক টা জাগলে পরে,ফুটবে যে চেতনার ফুল
জাগাও রে চেতনার বোধ, মিটে যাক দ্বন্দ্ব,বিভেদ
জেগে উঠুক মানবিকতা,জাগুক মূল্যবোধ
ভুলোনা মানুষ তুমি,পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ জীব
পেয়েছ শ্রেষ্ঠ জনম,জ্বালাও চেতনার প্রদীপ
চেতনাবোধ জাগলে তবে,মানবিকতা জাগ্রত হবে
দূর হবে হিংসা ও দ্বেষ, সোনার ভারতবর্ষ পাবে।

একটি কন্যা ভ্রূণের ব্যথা/সুপ্রিয়া চক্রবর্তী



৬/৭/১৮
*_*__*__*_*_*_*_*_*_*_*_*_*_*_*_*_*_
মা আমি তো তোমারই মা?
আর কয় মাস পরেই তো আমি
তোমার কোলে চড়তে পারতাম
ওই মাতৃ সুধা পান করতে পারতাম!
তবে কেনো মা তুমি আমাকে তুলে দিলে
ওই ডাক্তার রূপী জল্লাদ গুলোর হাতে?
ওরা আমার ছোট্ট ছোট্ট হাত,পা,গুলো
কেটে টুকরো,টুকরো,করে দিল মা?
কি সুন্দর আমি তোমার পেটের মধ্যে 
ঘুমিয়ে ছিলাম মা!কত খেলা করতাম
আঃ কি নিশ্চিন্ত আশ্রয় ছিলাম আমি
আমি তো পৃথিবীর আলো দেখতে পেলাম না মা!
আমি তোমার ঐ সুন্দর মুখটাও দেখতে পেলাম না যে!
মা বলে ডাকতে পারলাম না যে!
আমাকে এমন করে কষ্ট দিলে কেনো মা?
আমার খুব কষ্ট হযেছিল জানো?
ওরা আমায় একটু একটু করে কেটে
টুকরো,টুকরো করে বার করে ছিল জানো মা?
আমার কত ইচ্ছা করেছিলো,আমি তোমার
কোলে শুয়ে আদর খাই,তোমার বুকে জড়িয়ে
 
ঘুমোই,,,,তোমার হাতে চান করি, ভাত খাই
তোমার হাত ধরে স্কুল যাই,,,,,,
তুমি তো আমাকে কিছুই পেতে দিলে না মা!
সব কিছু থেকে বঞ্চিত করলে।

রূপসী বর্ষা/সুপ্রিয়া চক্রবর্ত্তী



৪/৭/১৮
*_*_*_*_*_*_*_*_*_*_*_*_*_*_*_*_*_*_
বরষা রে,আয়রে আয় তুই নেমে
রুপোলি শাড়ি পরে ঝমঝমিয়ে
মেঘলা কালো চুলে বিজলী আলো জ্বালি
টিপটিপ,,,টুপটাপ,হিরের দানা ছড়ালি।
রূপসী বর্ষা তুই আয়না নেমে
তোর রূপেতে পড়েছি প্রেমে
যাসনা থেমে,আয়রে নেমে
রিমঝিম নূপুরের ধ্বনি শুনে
উতলা হয়েছে মন আনমনে
শ্রাবণের রিমঝিম বারি ধারাতে
গাছপালা শিহরিত ধারা স্নানেতে
মেঘে মেঘে লাগে গুরু গর্জন
বাদল ধারায় আজ মন উন্মন
চাষীরা লাঙ্গল নিয়ে ছোটে মাঠে
পশু,পাখি সকলেই ভেজে একসাথে
তোর ঝমঝম বারিধারা হলে
তবে না ফসল গুলো ফলে
তোর সুন্দর রূপ আমি দেখেছি
তোরই অপেক্ষায় দিন গুনেছি
আজ বাদলের রিমঝিম ধারাতে
চায় যে আমার এই মন হারাতে।

বেলাশেষে/সুপ্রিয়া চক্রবর্তী



৩/৭/১৮
*_*_*_*_*_*_*_*_*_*_*_*_*_*_*_*_*_
আমার শেষ বিকেলের গোধূলি আলোয়
যদি চাঁপার গন্ধ পাই,তাহলে জানি তুমি আসছ
ওরা আমায় তোমার আগমন বার্তা দেয়
আমি খুশিতে উচ্ছল হয়ে উঠি
যখন পূর্ণিমা রাতে মালতি লতায় হওয়া দোলা দেয়,তখন নিশ্চিত জানি তুমি আসছ
আমি খুশিতে মেতে উঠি,পূর্ণিমার চাঁদের রুপোলি আলো গায়ে মেখে আমি তোমার জন্য সাজি
তোমার আগমনের একটা মাধুর্য্য আছে জানো_
তা গাছপালা,চাঁদ,আকাশ,সবাই অনুভব করে
আমিও অনুভব করি,আর ওরা আমাকে জানিয়ে
যায়,আগাম খুশির খবর,তুমি আসছ
আর তুমি ফিরে যেও না,জীবনে অনেক বসন্ত গেলো,কিন্তু এবার শীতে পাতা ঝরার বেলায়
তোমার শীর্ণ ভরসার হাত দুখানি আমার বড়ো
দরকার যে! যে আমার বেলাশেষে মাথায় হাত রাখবে।

প্রভু আমার---সুপ্রিয়া চক্রবর্তী



২/৭/১৮
*_*_*_*_*_*_*_*_*_*_*_*_*_*_*_*_*_*
চলে যেতে হবে জানি,তোমাদের ছেড়ে
তবু এত দূরে চলে যেতে,মন কেমন করে।
ঠিকানা তো একটাই,স্বর্গ বাই লেন
ঈশ্বর কি ভেবেছেন, এতো তাড়াতাড়ি পাঠাবেন!!
থাকতে চাই তোমাদের মাঝে,আরো কিছুদিন
অত দূরে,সবাইকে ছেড়ে,থাকা খুব কঠিন
ঈশ্বর কে শুধুই ডাকি,পাইনি সাড়া এমন নয়
আমার অন্তর,চারিপাশ ভরে মঙ্গলময়।
অনেক দিয়েছ আমায় তুমি প্রভু
ভালোবাসা,সন্মান,সবই তোমার দান,ভুলিনি কভু
এমনি করেই দয়া দিও প্রভু,দিও আমায় সাথ
তোমার চরণে,জীবনে,মরণে করি প্রণিপাত
তুমি তো আমার আছোই প্রভু,সুখে, দুখে জড়ায়ে
নিওনা নিওনা প্রভু চরণ হইতে সরায়ে।
যে কাজ গুলো, হয়নি সারা,রয়েছে বাকি
সে কাজ গুলো,শেষ করে যাই,দেবনা ফাঁকি
যখনই যেটা চেয়েছি,দিয়েছ পূরণ করে
আমি জানি তুমি আমারই আছো হৃদয় ভরে।।
**_**_**_**_**_**_**_**_**_**_**_**_*

*****কালবৈশাখী--সুপ্রিয়া চক্রবর্তী


চৈত্র বৈশাখের এক বিকাল বেলা
ঘন কালো মেঘে ছেয়ে এলো আকাশ
বীভৎস গর্জন করে ধেয়ে এলো কালবৈশাখী।
গুরুগুরু ঘন মেঘের গর্জন,.....
সাথে বিদ্যুতের ঝিলিক
মাতিয়ে দিলো কালবৈশাখীর ঝড়ের নাচনে।
তোলপাড় করে দিলো চারিদিক.....
ঝড়ের দাপটে ওলট পালট প্রকৃতি
তান্ডব নৃত্য করতে থাকে সে......
প্রখর গ্রীষ্মের তপ্ত বাতাসে উত্তপ্ত জীবজগত
মৌসুমী বাতাস বয়ে নিয়ে এলো শীতল আবেশ
রিমঝিম ধারায় নেমে এলো বারিধারা।
ঝমঝম করে উহ্যন্ত বৃষ্টি ধারায় ,
শীতল হলো ধন ধান্য বসুন্ধরা।
বৃক্ষরাজি,প্রাণীজগত স্বস্তি পেল আরামে।
****************************************
কবিগুরুর গানেই বলি
"আজি ঝরো ঝরো মুখর বাদল দিনে
জানিনে জানিনে কিছুতে কেন্যে যে মন লাগেনা
আজি ঝরো ঝরো মুখর বাদল দিনে"

এসো প্রেম---সুপ্রিয়া চক্রবর্ত্তী




তুমি এসো,এসো প্রেম!
নীল আকাশের পথে এসো
কাজল কালো মেঘে এসো
বৃষ্টি নুপুর ধারায় এসো
মনের গভীর দ্বারে এসো
আমার মন উপবনে এসো
আমার গোপন হৃদয় এসো
কৃষ্ণচূড়ার লালে এসো
ফাগুন সমীরণে এসো
ভালোবাসার গানে এসো
আলো আসার প্রাণে এসো
পূর্ণিমা জোছনায় এসো
উছল প্রাণের দোলায় এসো
দুঃখ সাগর জলে এসো
আনন্দ হিল্লোলে এসো
শ্যামল বাঁশির সুরে এসো
অন্তর আকুলে এসো
গোপন হৃদয় কোনে এসো
হঠাৎ ঝড়ের সাথে এসো
সন্ধ্যা তারার পথে এসো
জুঁই ,মালতীর গন্ধে এসো
কাজল কালো চোখে এসো
ভালোবাসায় মেখে এসো
আমার তরে,জীবন ভরে।